সেই কারণে, বাইরের সমাজে চলা-ফেরার পথে নিজের রূপের সৌন্দর্য বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে বর্তমান যুগে মেয়েরা অনেক রকম নামী-দামি কোম্পানির ক্রিম নিয়মিত ব্যবহার করে থাকে। তবে তাতে ক্ষতি ছাড়া লাভ তেমন আর কিছুই নেই।
আসুন দেখে নিই, বাড়ি বসে ঘরোয়া দ্রব্যাদি ব্যবহার করেও কীভাবে ত্বককে রাখা যায় লাবণ্যময়ী, কীভাবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে মুখের কালোদাগ কাটিয়ে হয়ে ওঠা যাবে ফরসা।
বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে কালো রং অনেকের কাছেই একটু অপছন্দের। ত্বকের রং ফরসা করার জন্য আমরা ঘরে বসে সহজেই তৈরি করে নিতে পারি একটি ফেস প্যাক।
এর জন্য দরকার আলু, মধু, টক দই, বেসন, হলুদ, লেবু ইত্যাদি।(Best bangla Natural Beauty Tips)
প্রথমে একটি পাত্রে এক চামচ বেসনের সাথে এক চামচ আলুর রস(আলু থেঁতো করে রস বার করে নিতে হবে), দুই চিমটে হলুদ(বেঁটে নেওয়া কাঁচা হলুদ), এক চামচ লেবুর রস, এক চামচ মধু এবং এক চামচ টক দই মিশিয়ে নিতে হবে। টক দই এর পরিবর্তে কাঁচা দুধ ব্যবহার করতে পারেন।
এবার ভালো করে ত্বক পরিষ্কার করে নিয়ে মুখ, হাত, পা, গলায় সর্বত্র এই প্যাক লাগিয়ে দিতে হবে। মোটামুটি ভাবে ২০-২৫ মিনিট পরে ভালোভাবে প্যাকটি শুকিয়ে গেলে, জলে ভিজিয়ে ৩/৪ মিনিট হালকাভাবে ম্যাসাজ করে ঠাণ্ডা জল দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। [বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ এই প্যাক ব্যবহার করার ৪-৫ ঘণ্টার সাবান বা ফেসওয়াশ ব্যবহার করা যাবেনা।](Best bangla Natural Beauty Tips)
আলুর রস মুখের কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করে। ভালো কার্যকর ফল পাবার জন্য সপ্তাহে দু’বার ব্যবহার করা উচিত।তাৎক্ষণিকভাবে ত্বক ফর্সা ও উজ্জ্বল করার জন্য পার্লারে গিয়ে হাজার হাজার টাকা খরচ করা প্রায়শই ঘটে থাকে। কিন্তু ঘরোয়া পদ্ধতিতে পার্লারের থেকে ভালো ফল পাওয়া যায় অ্যালোভেরার মাধ্যমে। অ্যালোভেরা এমন একটি গাছ যেটি কসমেটিক্স তৈরিতে অবশ্যই ব্যবহার করা হয়। অ্যালোভেরা গাছের পাতা সহজসুলভ, এমনকি বাড়িতেও এর গাছ লাগাতে পারেন। প্রথমে অ্যালোভেরা পাতা চিরে নিয়ে ভেতরের জেলিটুকু বের করে নিয়ে গ্রাইন্ডারে একটু গ্রাইন্ড করে নিন। অবশ্য বাজারেও অ্যালোভেরার জেল কিনতে পাওয়া যায়। ত্বক পরিষ্কার এবং কাঁচের মতো চকচকে করার জন্য অ্যালোভেরার জুড়ি মেলা ভার। এছাড়া, অ্যালোভেরা ত্বকের কালচে ভাব দূর করতে সাহায্য করে। অ্যালোভেরা ব্যবহারে ত্বকের রুক্ষ, শুষ্ক ভাব দূর হয়ে ত্বক হয়ে উঠবে মোলায়েম ও তুলতুলে।
